অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত দফায় নজরকাড়া লড়াই চলছে ভবানীপুর কেন্দ্রে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে সকালেই বুথ পরিদর্শনে বেরিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণত নির্বাচনের দিন সকাটা বাড়িতেই কাটান তিনি, তবে এবার মুখ্যমন্ত্রী নয়—একজন লড়াকু প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে সরাসরি রাস্তায় নামলেন তিনি।
মমতার ক্ষোভ ও সক্রিয়তা
সকালে কালীঘাটের বাসভবন থেকে বেরিয়ে মমতা সরাসরি যান চেতলায়, তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমের কাছে। গত সোমবার রাতে ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তল্লাশি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। মমতার অভিযোগ:
• মাঝরাতে দরজা ধাক্কিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।
• নির্বাচনে প্রভাব খাটাতে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে বিজেপি।
• বাড়ির নারীদের হেনস্থা করার চেষ্টা চলছে।
মমতা সাধারণত দুপুরের পর ভোট দিতে বের হন, তবে এবার পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সকাল থেকেই ময়দানে রয়েছেন তিনি।
‘ঠেলায় পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে’—শুভেন্দুর তোপ
অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীও সকাল থেকে বিভিন্ন বুথে কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন। মমতার এই আগাম তৎপরতাকে বিঁধে শুভেন্দু বলেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না।” তার দাবি:
1. পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই মমতা এবার রেওয়াজ ভেঙে সাতসকালে পথে নেমেছেন।
2. ভোটারদের ওপর ‘নৈতিক চাপ’ সৃষ্টি করাই তৃণমূলের মূল লক্ষ্য।
ভবানীপুরের মর্যাদার লড়াই
দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সরাসরি সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি আক্রমণে উত্তপ্ত ভবানীপুর। একদিকে মমতা যখন ভোটারদের সাহস জোগাচ্ছেন, অন্যদিকে শুভেন্দু জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। ৪ মে ফলাফল ঘোষণার পরেই পরিষ্কার হবে—বাংলার এই হাইভোল্টেজ কেন্দ্রের রায় কার পক্ষে যায়।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা



