অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আজ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৯ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। আদেশ ঘোষণার সময় দুই আসামিই ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
শুনানির শুরুতেই আসামিপক্ষের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করা হয়। এরপর বিচারক মামলার তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনান এবং আসামিদের কাছে জানতে চান তারা অভিযোগ স্বীকার করেন কি না। জবাবে রাশেদ খান মেনন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। কামরুল ইসলাম অভিযোগগুলোকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করে বিচারপ্রার্থনা করেন।
প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়, ওই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতায় ক্ষমতাসীন সরকারকে টিকিয়ে রাখতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পর্যায়ে থেকে তারা নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর বলপ্রয়োগ ও কারফিউ জারিতে প্ররোচনা দেন। এছাড়া রাজধানীর বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় গুলিতে ২৩ জন নিহত হওয়ার ঘটনাও মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার পরবর্তী ধাপে ৯ জুন সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।



