পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সাদিক কায়েম কি মেয়রপ্রার্থী হচ্ছেন? যা জানাল ছাত্রশিবির

অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েমকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রপ্রার্থী করা নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সিদ্ধান্তের বিপরীতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

শুক্রবার (১ মে) বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হতে যাচ্ছেন। এ নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও বিভ্রান্তি তৈরি হলে বিকেলে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয় ছাত্রশিবির। বিবৃতিতে শিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসু জিএস এসএম ফরহাদ জানান, ছাত্রশিবিরের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সংগঠনের কোনো পর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পরেই কেবল একজন সদস্য যেকোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। বর্তমানে সাদিক কায়েম শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাই তাকে ঘিরে এ ধরনের সংবাদ বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

তবে জামায়াতে ইসলামীর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সাদিক কায়েমকেই তাদের পক্ষ থেকে মেয়রপ্রার্থী করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রমতে, যদি ঢাকা সিটি নির্বাচন ডাকসু মেয়াদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, তবে তাকে প্রার্থী করা হবে না; কিন্তু নির্বাচন যদি ডাকসু মেয়াদের পরে হয়, তবে সাদিক কায়েমই হবেন তাদের চূড়ান্ত প্রার্থী। মূলত ডাকসু ভিপি হিসেবে তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগাতে চায় দলটি। তবে ছাত্রশিবির বর্তমানে তাদের সাংগঠনিক নিয়মের দোহাই দিয়ে এই তথ্যের বিরোধিতা করছে।

এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর অনুযায়ী, সাদিক কায়েম নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে তার জাতীয় পরিচয়পত্র খাগড়াছড়ি থেকে পরিবর্তন করে ঢাকায় স্থানান্তর করেছেন এবং ভোটার হয়েছেন। যদিও তিনি বা সংগঠন এখনো প্রকাশ্যে বড় কোনো নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেননি, তবে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ এবং বিশেষ সাংগঠনিক তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ বিষয়ে সাদিক কায়েমের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। সার্বিকভাবে সাদিক কায়েমকে কেন্দ্র করে ডিএসসিসি নির্বাচনে জামায়াতের পরিকল্পনা এখন টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।

প্রধান খবর

গুলিতে নিহত যুবদল কর্মী/ কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশাতেই হত্যার নীল নকশার অভিযোগ

গত শুক্রবার ২৪ জুলাই রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল এলাকায় গুলি করে যুবদলের কর্মী ইউসুফকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার পরবর্তী এক সংবাদ সন্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকা আধিপত্য ও

আসছে...