অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়িয়ে ব্যবসার খরচ কমাতে চায় সরকার। এলডিসি উত্তরণকে সামনে রেখে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে জোর দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিজিএমইএ’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সার্কুলার অর্থনীতি বিষয়ক সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সার্কুলার অর্থনীতি এখন শুধু পরিবেশ রক্ষার বিষয় নয়, এটি দেশের শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করার অন্যতম শর্ত। বিশ্ববাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং টেকসই উৎপাদন এখন বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক হয়ে উঠেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও ভোক্তারা এখন এমন উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছেন যা দক্ষ, দায়িত্বশীল ও দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল। সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর বাস্তবসম্মত এবং ইতোমধ্যে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সেমিনারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সার্কুলার অর্থনীতিতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করে। তারা জানায়, এটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে সহায়তা করবে।
উদ্যোক্তারা জানান, বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে টেক্সটাইল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই সমাধান প্রয়োজন। দেশে তৈরি পোশাক খাত থেকে বছরে প্রায় ৬ লাখ টন বর্জ্য উৎপন্ন হলেও মাত্র ৫ শতাংশ পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে।
ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা ও বিশেষ বাজার সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি ও লজিস্টিক খরচ কমানো জরুরি।
বাণিজ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়িয়ে লজিস্টিক খরচ কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।



