অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মামলায় কারাবাসের সাজাপ্রাপ্ত থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার সকালে ব্যাংককের ক্লোং প্রেম কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
তবে মুক্তি পেলেও তিনি এখনো সম্পূর্ণ স্বাধীন নন। সরকার তাকে সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় রেখেছে এবং নিরাপত্তার অংশ হিসেবে তার পায়ের গোড়ালিতে ইলেকট্রনিক নজরদারি যন্ত্র পরানো হয়েছে।
৭৬ বছর বয়সী থাকসিন ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সেই সময় থেকেই দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে এবং আদালতে মামলাও হয়।
মামলা থেকে বাঁচতে তিনি দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যান এবং দীর্ঘ সময় প্রবাসে অবস্থান করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দেশে ফিরে আসলে বিমানবন্দর থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর আদালতের রায় অনুযায়ী তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
যদিও তার সাজা ছিল এক বছর, তবে আট মাসের মাথায় তিনি মুক্তি পান। মুক্তির সময় তার মেয়ে ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী পায়তংতান সিনাওয়াত্রাসহ পরিবারের সদস্য ও সমর্থকরা কারাগারের বাইরে উপস্থিত ছিলেন। মুক্তির পর তাকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী এই নেতা থাইল্যান্ডে একদিকে যেমন শক্তিশালী সমর্থক গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন, অন্যদিকে তীব্র বিরোধিতার মুখেও পড়েছিলেন। ২০০৬ সালের সামরিক অভ্যুত্থানে তার সরকারের পতনের পর তিনি দীর্ঘদিন দেশত্যাগে ছিলেন।
দেশে ফেরার পর রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে তিনি আবারও ফিরে আসেন, তবে ফেরার পরপরই তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।



