পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক

সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই। শুক্রবার (১৫ মে) রাত ২টার দিকে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মিজানুর রহমান সিনহার মেয়ে তাসনিম সিনহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় মিজানুর রহমান সিনহা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। এর আগে ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং-টঙ্গীবাড়ি) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পান তিনি। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে পরে তার পরিবর্তে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল সালাম আজাদকে দলীয় প্রার্থী করা হয়।

১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মিজানুর রহমান সিনহা। তার বাবা হামিদুর রহমান সিনহা এবং মা নূরজাহান সিনহা। তাদের স্থানীয় বাড়ি ‘সিনহা হাউজ’ দীর্ঘদিন ধরে দর্শনার্থীদের জন্য পরিচিত একটি স্থান।

শৈশবে কলকাতায় বেড়ে ওঠেন মিজানুর রহমান সিনহা। পরে নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৬৪ সালে হাবিব ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়। বাবার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে তিনি পারিবারিক প্রতিষ্ঠান একমি গ্রুপে যোগ দেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মিজানুর রহমান সিনহা। সরকারি তোলারাম কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯০ সালে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।

বিএনপির মনোনয়নে মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নজরুল ইসলাম খান বাদলকে এবং ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে পরাজিত করে বিজয়ী হন তিনি।

প্রধান খবর

গুলিতে নিহত যুবদল কর্মী/ কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশাতেই হত্যার নীল নকশার অভিযোগ

গত শুক্রবার ২৪ জুলাই রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল এলাকায় গুলি করে যুবদলের কর্মী ইউসুফকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার পরবর্তী এক সংবাদ সন্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকা আধিপত্য ও

আসছে...