পাবনা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত থেকে শুরু করে শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর পর্যন্ত গত ১২ ঘণ্টা ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই চিরুনি অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ফরিদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকও রয়েছেন, যিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা হিসেবে আটক হয়েছেন।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে পাবনা সদর থানা এলাকা থেকে ৫ জন, ঈশ্বরদীতে ৪ জন, ভাঙ্গুড়ায় ১ জন, ফরিদপুরে ৪ জন, সাঁথিয়ায় ১ জন, বেড়ায় ৩ জন এবং আতাইকুলা থানা এলাকা থেকে ১ জনকে আটক করা হয়। আটককৃত এই ১৯ জনের মধ্যে ১৫ জনকেই বিভিন্ন অপরাধের দায়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্ট) মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বাকি ৪ জনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়মিত মামলা দায়েরের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ এই বিশেষ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, জেলা জুড়ে মাদক ব্যবসা, ভেজাল পণ্য তৈরি ও বিপণনসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে পাবনা জেলা পুলিশের এই কঠোর অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে জেলা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর এবং পাবনায় যেকোনো ধরনের অপরাধী ও আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ নিয়মিতভাবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।



