রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া গ্রামের একটি পাটক্ষেত থেকে আসাদুল ইসলাম নামে এক নিখোঁজ জামায়াত নেতার ক্ষতবিক্ষত ও অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।মাদাপুর ইউনিয়নের বিল মানুষ মারি গ্রামের শাহজাহান মন্ডলের ছেলে আসাদুল ইসলাম পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। জামায়াতে ইসলামী মদাপুর শাখার আমীর ফিরোজ আহমেদ নিহত আসাদুলের সাংগঠনিক পরিচয় নিশ্চিত করে জানান যে, আসাদুল জামায়াতে ইসলামী মদাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বায়তুল মাল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত রবিবার থেকে আসাদুল ইসলাম হঠাৎ করেই নিখোঁজ হন এবং পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজ হওয়ার পরদিন অর্থাৎ সোমবার সকালে কালুখালী উপজেলার সূর্যদিয়া গ্রামের মাঠের একটি পাটক্ষেতের পাশে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে কালুখালী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসাদুল ইসলামের মরদেহটি উদ্ধার করে। ফিরোজ আহমেদ আরও অভিযোগ করেন যে, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা আসাদুলকে অপহরণ করার পর তাঁর হাত-পা শক্ত করে বেঁধে মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মকভাবে আঘাত করে নৃশংসভাবে জখম করে এবং একপর্যায়ে তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ খবর পেয়েই ভুক্তভোগীর মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরেই এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য এবং বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গুলিতে নিহত যুবদল কর্মী/ কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশাতেই হত্যার নীল নকশার অভিযোগ
গত শুক্রবার ২৪ জুলাই রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল এলাকায় গুলি করে যুবদলের কর্মী ইউসুফকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার পরবর্তী এক সংবাদ সন্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকা আধিপত্য ও



