২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের লড়াই থেকে বিদায় নেওয়া প্রথম দল হলো হাইতি। শুক্রবার রাতে শক্তিশালী ব্রাজিলের কাছে ৩-০ গোলের পরাজয়ের ফলে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়ে গেছে ক্যারিবীয় দেশটির।
১৯৭৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া হাইতির জন্য এটি ছিল ঐতিহাসিক একটি আসর। তবে বিশ্বমঞ্চে তাদের স্বপ্নযাত্রা থেমে গেল দ্বিতীয় ম্যাচেই।
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের হয়ে জোড়া গোল করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা মাতেউস কুনিয়া। এছাড়া এক গোল করার পাশাপাশি আরেক গোলে অ্যাসিস্ট করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই বড় জয় পায় সেলেসাওরা।
এই হারের ফলে হাইতির সামনে শেষ ম্যাচে জয় পেলেও নকআউটে ওঠার কোনো সুযোগ নেই। কারণ গ্রুপে পয়েন্ট সমান হলেও এবারের বিশ্বকাপে প্রথম টাইব্রেকার হিসেবে গোল ব্যবধান নয়, বরং হেড-টু-হেড ফলাফল বিবেচনা করা হচ্ছে।
হাইতি ইতোমধ্যে স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে। ফলে শেষ ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে জয় পেলেও এবং স্কটল্যান্ড ব্রাজিলের কাছে হারলেও দুই দলের পয়েন্ট সমান হবে। কিন্তু মুখোমুখি লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকায় হাইতি গ্রুপের শীর্ষ তিনে উঠতে পারবে না।
ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন নিয়ম চালু করেছে, যেখানে পয়েন্ট সমান হলে প্রথমে দেখা হবে দলগুলোর মধ্যকার ম্যাচের ফলাফল। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত গোল ব্যবধানভিত্তিক নিয়ম থেকে সরে এসে উয়েফার অনুসৃত এই পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে বড় ব্যবধানে জয়-পরাজয়ের কারণে অন্য দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং প্রতিযোগিতা আরও ন্যায্য হয়।



