নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপতৎপরতা, বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।মঙ্গলবার (২৩ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে এই বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি জবি ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের ভাস্কর্য চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে ভাস্কর্য চত্বরেই এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনটির যেকোনো ধরনের চোরাগুপ্তা তৎপরতা বা বিশৃঙ্খলা রুখে দিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয় এবং এতে ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী ও খুনি হাসিনার নেতৃত্বাধীন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ গত ১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর যে নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে, তার বিচার বাংলার মাটিতে শুরু হয়েছে। ছাত্র–জনতার রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের পর এই নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো অধিকার নেই এ দেশের মাটিতে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর নামে যদি তারা সাধারণ মানুষের শান্তি বিনষ্ট করতে বা কোনো অপতৎপরতা চালাতে চায়, তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেবে। আমরা রাজপথে ২৪ ঘণ্টা পাহারায় আছি।’
এরপর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘ক্যাম্পাস কিংবা ক্যাম্পাসের বাইরে স্বৈরাচারের কোনো দোসরের ঠাঁই হবে না। আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে প্রমাণিত। তারা যদি কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করে, তবে ছাত্রদল তা কঠোর হস্তে দমন করবে। আমরা প্রশাসনকেও সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি যেন কোনো চিহ্নিত অপরাধী বা নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ বিশৃঙ্খলা করার সাহস না পায়।’ সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা পরিষ্কার জানিয়ে দেন, ক্যাম্পাসের স্থিতিশীলতা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা রক্ষায় তারা সর্বদা সজাগ থাকবেন এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজপথে প্রস্তুত রয়েছেন।



