ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১০ জন মাদক কারবারি ও সেবনকারীকে আটক করে তাদের প্রত্যেককে ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলের দিকে সাজাপ্রাপ্ত দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে আদালতের আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে হালুয়াঘাট উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অত্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মাদক সেবন ও বিক্রির সময় এই ১০ জন ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এই সফল অভিযান পরিচালনা করেন হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদ এবং অভিযান পরিচালনাকালে তাকে থানা পুলিশের সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত এই ১০ জন ব্যক্তি হালুয়াঘাট ও দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— শেরপুর জেলার ডোবারচর গ্রামের নাজিমউদ্দীনের ৩০ বছর বয়সী পুত্র মো. সামিদুল ইসলাম, ফুলবাড়িয়া এলাকার মো. হোসেন আলীর ৩০ বছর বয়সী পুত্র আলামিন, হালুয়াঘাট পৌরসভার উত্তর খয়রাকুড়ি এলাকার ইব্রাহিম হোসেনের ৩৬ বছর বয়সী পুত্র মো. ইসমাইল হেসেন, আকনপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হাসিম খানের ৪৪ বছর বয়সী পুত্র মো. লিটন মিয়া, নেত্রকোনা জেলার মুক্তারপাড়া গ্রামের মো. তারা মিয়ার ৪২ বছর বয়সী পুত্র মো. আলামিন মিয়া, হালুয়াঘাটের সদর ইউনিয়নের শাপলা বাজারের মৃত আবুল কাসেমের ২৮ বছর বয়সী পুত্র মো. শাহ আলম, উত্তর আকনপাড়া গ্রামের মুনসুর আলীর ২৬ বছর বয়সী পুত্র মারুফ, মধ্য আকনপাড়া গ্রামের জাকির হোসেনের ২৭ বছর বয়সী পুত্র মো. তিতাস, ইসলামপুর গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার ৩৫ বছর বয়সী পুত্র মো. উজ্জল মিয়া এবং দক্ষিণ মনিকুড়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের ৩২ বছর বয়সী পুত্র মো. সুরুজ মিয়া।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘‘ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ সাজা দেওয়া হয়। পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ (৫) ধারায় ১ (এক) বছরের জেল দুই শত টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৩ (তিন) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।’’ তিনি আরো জানান, ‘‘উপজেলায় মাদক নির্মূলে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।’’



