পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাল ভোটে সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড, ইসির ‘জিরো টলারেন্স’

অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক 

ভোটাধিকার গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি। তবে জালিয়াতির মাধ্যমে এ অধিকার অপব্যবহার হলে প্রশ্নবিদ্ধ হয় পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা। বাংলাদেশে জাল ভোটকে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

জাল ভোট বলতে বোঝায়—ভোটারের অজান্তে বা পরিচয় ব্যবহার করে ভোট দেওয়া, অনুপস্থিত ভোটারের নামে ভোট পড়া, ভয়ভীতি বা জোর করে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে বাধ্য করা, অথবা একজনের একাধিকবার ভোট দেওয়া। অর্থাৎ যেখানে ভোটারের স্বাধীন সিদ্ধান্ত থাকে না, সেটিই জাল ভোট।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২–এর ৭৩ থেকে ৮৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনি অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। ভোটকেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশের দায়ে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাল ভোট প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক মামলা ও গ্রেফতারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে একযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার–সংক্রান্ত গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ইসি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

প্রধান খবর

গুলিতে নিহত যুবদল কর্মী/ কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশাতেই হত্যার নীল নকশার অভিযোগ

গত শুক্রবার ২৪ জুলাই রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল এলাকায় গুলি করে যুবদলের কর্মী ইউসুফকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার পরবর্তী এক সংবাদ সন্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকা আধিপত্য ও

আসছে...