পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সংসদীয় গণতন্ত্রের পর ইসলামপন্থীদের সর্বোচ্চ সাফল্য, তবে উত্থান কতটা স্থায়ী?

অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক 

১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামপন্থী দলগুলো সর্বোচ্চ আসন ও ভোট পেয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে অংশ নিয়ে ১১টি ইসলামপন্থী দল মোট ৬০৭ জন প্রার্থী দেয়।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইসলামপন্থী দলগুলো মিলিয়ে পেয়েছে ৭২টি আসন। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী একাই জিতেছে ৬৮টি আসনে। তাদের দুই মিত্র বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পেয়েছে দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসন। প্রথমবারের মতো একটি আসন পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। অন্যদিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ কোনো আসন পায়নি।

ভোটের হিসাবে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পেয়েছে ৪৯.৯৭ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট। ইসলামপন্থী দলগুলোর সম্মিলিত ভোট ৩৮ শতাংশের বেশি।

১৯৯১ ও ২০০১ সালে ইসলামপন্থীরা সর্বোচ্চ ১৯টি করে আসন পেয়েছিল। ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে তাদের সাফল্য ছিল সবচেয়ে কম। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে তরিকত ফেডারেশন জোটের মাধ্যমে কয়েকটি আসন পেলেও ২০২৪ সালের নির্বাচনে কোনো ইসলামপন্থী দল জয় পায়নি; সে সময় বড় দলগুলো নির্বাচন বর্জন করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ উর রহমান মনে করেন, এবারের সাফল্য স্থায়ী নাও হতে পারে। তাঁর মতে, অনেক দল তাদের মূল ইসলামভিত্তিক এজেন্ডা সামনে আনেনি এবং নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিও ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের ফলাফল ইসলামপন্থীদের জন্য বড় অর্জন হলেও ভবিষ্যতে এ ধারা বজায় থাকবে কি না, তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জোট–সমীকরণের ওপর।

প্রধান খবর

গুলিতে নিহত যুবদল কর্মী/ কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশাতেই হত্যার নীল নকশার অভিযোগ

গত শুক্রবার ২৪ জুলাই রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল এলাকায় গুলি করে যুবদলের কর্মী ইউসুফকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার পরবর্তী এক সংবাদ সন্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকা আধিপত্য ও

আসছে...