ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের টেস্ট প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে। তবে তিনি ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাবেন।
সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হার এবং তার আগে অস্ট্রেলিয়ার কাছে অ্যাশেজে ৪-১ ব্যবধানে পরাজয়ের পর থেকেই ম্যাককালামের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত টেস্ট দলের ধারাবাহিক ব্যর্থতার দায়ে তাকে এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
দায়িত্ব হারানোর পর প্রতিক্রিয়ায় ম্যাককালাম বলেন, ‘অবশ্যই আমি ভীষণ হতাশ। এই দায়িত্বটা আমি দারুণ উপভোগ করেছি। তবে সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। এখন আমার পুরো মনোযোগ থাকবে সাদা বলের ক্রিকেটে এবং ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
২০২২ সালে বেন স্টোকসের সঙ্গে ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটে ‘বাজবল’ যুগের সূচনা করেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। আক্রমণাত্মক ক্রিকেট দর্শনের কারণে এই কৌশল বিশ্ব ক্রিকেটে ব্যাপক আলোচনায় আসে। তার অধীনে প্রথম ১১ টেস্টের মধ্যে ১০টিতেই জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড।
তবে সময়ের সঙ্গে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি দল। ম্যাককালামের কোচিংয়ে ইংল্যান্ড ৪৯টি টেস্টে ২৭টি জয়, ২টি ড্র এবং ২০টি হার দেখেছে। বিশেষ করে শেষ ৯ টেস্টের মধ্যে ৭টিতে পরাজয় এবং অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে কোনো টেস্ট সিরিজ জিততে না পারা তার ওপর চাপ বাড়িয়ে দেয়।
ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) জানায়, আগামী অ্যাশেজ সিরিজ সামনে রেখে টেস্ট দলে নতুন নেতৃত্ব আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইসিবির প্রধান নির্বাহী রিচার্ড গুল্ড বলেন, ম্যাককালাম ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটে নতুন প্রাণ ফিরিয়েছিলেন, তবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবর্তন প্রয়োজন।
যদিও তার সঙ্গে ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে, তবুও এখন থেকে তিনি শুধুমাত্র ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।



