রাজশাহীর বাগমারায় চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগে ছাত্রদলের তিন নেতাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। যুবদলের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা কমিটির সদস্য আসাদুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে মারধর করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দেয়। বর্তমানে আহত আসাদুল ইসলাম রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে গোয়ালকান্দি বাজারে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লাঠি ও রড দিয়ে তাকে মারধর করা হয়। একই সঙ্গে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও করেন তিনি।
আসাদুল আরও দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করে আসছিলেন। সেই বিরোধের জেরেই তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন নর্থ বেঙ্গল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি পারভেজ রানা, হামিরকুৎসা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সুমন এবং গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শাহীন আলম।
তবে পারভেজ রানা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি চাঁদাবাজির নয়। একটি ডিশ লাইন মালিকানা নিয়ে সমঝোতা বৈঠকে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে এই ঘটনা ঘটে। তাদের দাবি, তারা একজন নারীকে হেনস্তার হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়েছিলেন।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মহব্বত হোসেন জানিয়েছেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বাগমারা থানার ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, এখনো এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



