‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ তৃণমূল পর্যায়ের শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বলে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, একটি সুস্থ, মেধাবী, সুশৃঙ্খল ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বিত বিকাশই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তি।
তারেক রহমান জানান, ক্রীড়াকে শুধু বিনোদন বা প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে নয়, বরং পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে ক্রীড়াকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় ঐক্য ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধিতে ক্রীড়াকে শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দেশব্যাপী প্রতিভা অন্বেষণের অংশ হিসেবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর প্রথম আসর শুরু হয় সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে। আটটি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হওয়ার পর ২৭ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
তিনি বলেন, তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরিতে এই আয়োজন একটি টেকসই ভিত্তি তৈরি করবে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ ও বিকাশের মাধ্যমে ভবিষ্যতের জাতীয় দল এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
তারেক রহমান আরও বলেন, দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২০২৭’ আসরে টেবিল টেনিস ও ভলিবল যুক্ত করা হবে। এতে মোট ইভেন্টের সংখ্যা বেড়ে ১০টিতে উন্নীত হবে। পাশাপাশি আরও বেশি প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে সুযোগ দিতে অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা ১০ থেকে ১৪ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর খুদে খেলোয়াড়রাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরবে এবং দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবে।



