অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক টার্গেট কিলিং, চলন্ত গাড়িতে গুলিবর্ষণ ও পুলিশ পাহারায় থাকা বাসায় হামলার ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে। এসব ঘটনায় এসএমজি, চায়নিজ রাইফেল ও শটগানসহ অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। পুলিশ বলছে, সন্ত্রাসী দলের প্রশিক্ষিত শুটাররা পরিকল্পিতভাবে এসব হামলা চালাচ্ছে।
নগর ও জেলার বিভিন্ন ঘটনায় বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের নাম উঠে এসেছে। পুলিশের দাবি, তাঁর দলে অন্তত ৫০ জন প্রশিক্ষিত শুটার রয়েছে। দেশে তাঁর হয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ছোট সাজ্জাদ, রায়হান ও মোবারক। তাদের নির্দেশে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ ক্যাটাগরিতে বিভক্ত শুটাররা খুন ও চাঁদাবাজির ঘটনায় অংশ নেয় বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র।
সম্প্রতি রাউজান, হাটহাজারী ও নগরের বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে একাধিক ব্যক্তি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। চলন্ত গাড়িতে গুলি চালিয়ে বিএনপি কর্মী আবদুল হাকিমকে হত্যার ঘটনায় গাড়িতে ২২টি গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়। একইভাবে জনসমাগমের মধ্যে কাছ থেকে গুলি করে হত্যার ঘটনাও ঘটেছে।
গত শনিবার নগরের চন্দনপুরায় এক ব্যবসায়ীর পুলিশ পাহারায় থাকা বাসায় চার অস্ত্রধারী গুলি চালায়। সিসিটিভিতে দেখা যায়, একজন দুই হাতে পিস্তল, অন্যদের হাতে এসএমজি, রাইফেল ও শটগান ছিল। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি এবং মামলাও হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, পাহাড়ি এলাকায় শুটারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও মূল অস্ত্রধারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। বিদেশে বসে বাহিনী পরিচালনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাজ্জাদ আলী।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ জানিয়েছেন, জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



