অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
দেশে সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ, হত্যা ও নারী–শিশুর বিরুদ্ধে নৃশংস সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। গত এক সপ্তাহেই নরসিংদীতে ধর্ষণের পর কিশোরী হত্যা, পাবনায় দাদি–নাতনি হত্যা এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ধর্ষণের পর শিশু হত্যার মতো ঘটনা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ফলে ঘর, বাইরে ও অনলাইনে নারী–শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার অভিযোগে প্রায় ২২ হাজার মামলা হয়েছে। বাস্তবে ঘটনার সংখ্যা আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধপ্রবণতা বাড়িয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
নারী অধিকারকর্মীরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষ ছড়ানো এবং জনপরিসরে নারীদের হেনস্তার ঘটনাও বেড়েছে। ২০১৯ সালের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রায় ৯৭ শতাংশ নারী–শিশু নির্যাতন মামলায় সাজা হয় না।
এ প্রেক্ষাপটে নারী ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছে।
আগামী ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবসকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দিবসভিত্তিক কর্মসূচির বাইরে গিয়েও নারী–শিশুর নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থান ও আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।



