ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালের মাঝামাঝি শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মাহফুজা হান্নানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর ও ভৌত কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আগের সাড়ে চার বছরে মাত্র ১৮ শতাংশ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল। তবে গত ছয় মাসে তা বেড়ে ৬৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজেও বর্তমানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি আগে প্রায় ১৩ শতাংশ থাকলেও গত ছয় মাসে তা বেড়ে ৩৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে।
শেখ রবিউল আলম জানান, আগামী দুই মাসের মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ শতভাগ শেষ করার আশা করা হচ্ছে। একই সময়ে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজও শেষ হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের আওতায় ভৌত কাজ চলছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত অগ্রগতি বজায় থাকলে ২০২৯ সালের মাঝামাঝি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের কাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।
এদিকে বিদ্যমান ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কয়েকটি অংশের বেহাল অবস্থা নিয়েও সংসদে উদ্বেগের কথা উঠে আসে। মন্ত্রী স্বীকার করেন, মহাসড়কের কয়েকটি অংশে জরুরি ভিত্তিতে মেরামত প্রয়োজন।
মন্ত্রী বলেন, বড় একটি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প চলমান থাকায় মেরামত কাজের ব্যয় নির্ধারণে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে জাতীয় গুরুত্ব ও সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিলেট প্রান্ত থেকে প্রথম সাত কিলোমিটার দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, ওই অংশের মেরামত কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে, যাতে যান চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখা যায়।



