দেশীয় উদ্ভাবনকে ল্যাবরেটরি থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে নিয়ে গিয়ে সরাসরি বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন তিনি।
‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে শুরু হওয়া এ মেলায় দেশীয় উদ্ভাবক ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে টেকসই অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মেলায় সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (এসএমই) এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা অংশ নিয়েছেন। প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতে এক হাজারের বেশি নতুন ও সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে।
আয়োজকদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ে অনেক সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী ধারণা তৈরি হলেও নীতি সহায়তা, প্রাথমিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অভাবে সেগুলো বাণিজ্যিকভাবে বাস্তবায়িত হয় না। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করার পাশাপাশি মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও উদ্ভাবনের বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ নিশ্চিত করাই মেলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
মেলার দ্বিতীয় দিনে স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য উদ্ভাবন: সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক বিশেষ আন্তর্জাতিক সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি), ফরেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফআইসিসিআই)। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) রয়েছে কারিগরি অংশীদার হিসেবে।



