বরিশাল নগরীতে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী রুনা আক্তার (২২)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর জিয়া সড়কের বাইতুন নূর জামে মসজিদসংলগ্ন নতুন রাস্তা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
রুনা আক্তার বাগেরহাটের দারিয়া বারইডাঙ্গা এলাকার আমিরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিরপুর দক্ষিণ ডিভিশনে কর্মরত পুলিশ সদস্য শাওন হাওলাদারের স্ত্রী এবং বিএম কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বাড়ির মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, চলতি মাসের ১ তারিখ পুলিশে কর্মরত স্বামীর পরিচয় দিয়ে রুনা নিজেই বাসাটি ভাড়া নেন।
বৃহস্পতিবার সকালে রুনার স্বামী শাওন ফোন করে জানান, তার স্ত্রীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। আগের রাতেও তাদের কথা হয়েছিল। পরে বাসায় গিয়ে রুনাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে ট্রিপল নাইনে ফোন করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পরে কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুনার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন।
কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মো. আল মামুন উল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর রুনার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
রুনার স্বামী শাওন জানান, তারা পরস্পর মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন এবং প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে করেছিলেন। পড়াশোনার কারণে রুনা জিয়া সড়কের ওই বাসায় থাকতেন। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।



