চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য তাসনিম রিফাতের দাফন সামরিক মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের বিন্দারামপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। সামরিক ও সামাজিক মর্যাদায় অনুষ্ঠিত দাফনে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা অংশ নেন।
এর আগে সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে রিফাতের মরদেহ রাজশাহী সেনানিবাসে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে সড়কপথে মরদেহ তার জন্মস্থান বিন্দারামপুর গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
বাদ জোহর পরিবার ও হাজারো গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে রিফাতের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এর আগে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাবশত ট্যাংকের ভেতরে একটি গোলা বিস্ফোরিত হলে ঘটনাস্থলেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মড কোরের ১৫ স্বতন্ত্র সাঁজোয়া স্কোয়াড্রনের সদস্য সৈনিক তাসনিম রিফাতসহ দুই সেনাসদস্য নিহত হন।
রিফাতের পরিবারেও নেমে এসেছে গভীর শোক। মাত্র এক বছর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মাকে হারিয়েছিলেন তিনি। এবার ২৮ বছর বয়সী ছেলেকে হারিয়ে নির্বাক বাবা আসাদুল ইসলাম। মৃত্যুকালে রিফাত স্ত্রী ও প্রায় আড়াই বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।



