রাজধানীর ন্যাম ভবনে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেছেন তাঁর বাবা। মামলায় গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে আসামি করা হয়েছে।
দুজনই বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে। তবে তাঁদের এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোমবার সকালে গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান রোববার রাতে অল ক্রাইম টিভিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গাজী নজরুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে ইবনে মিজান বলেন, ‘না, গ্রেপ্তার এখনো দেখানো হয়নি। উনি তো মেম্বার অব পার্লামেন্ট। কালকে সকালে কিছু ফরম্যালিটিজ আছে। সেগুলো মেইনটেইন করে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখাব।’
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে রোববার শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি ও পিবিআইয়ের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেন। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ বলছে, মরিয়মের মৃত্যু হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
মরিয়মকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন গাজী নজরুল। গত জুলাইয়ে তাঁদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে। পরে গাজী নজরুল জানিয়েছিলেন, ১৭ জুন মরিয়মের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ওই ঘটনার পর তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।



