খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের পাশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হাসনাত হাবিব রিফাত নামে এক সাবেক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গতকাল সোমবার রাতে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি থানা এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
হত্যা মামলাটি তদন্তের সঙ্গে যুক্ত একাধিক কর্মকর্তা জানান, হাসনাত হাবিব রিফাত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি কৃষি ব্যাংকে চাকরি পান।
কর্মকর্তারা জানান, রিফাত আজমুলদের মেসে থেকেই ব্যাংকে যাতায়াত করতেন। তাঁর বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর থানার গুণেরগাতী গ্রামে।
নগরীর হরিণটানা থানার ওসি ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আজমুলকে মারধরের সময় রিফাত উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর তিনি পালিয়ে যান। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।’
গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে চুরির অপবাদ দিয়ে আজমুলকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তিনি চারতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে যান।
পরে আজমুলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি ছাদ থেকে লাফ দিয়েছেন, নাকি তাঁকে মারধরের পর ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে, তা তদন্ত করছে পুলিশ।
এ ঘটনায় আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দীন বাদী হয়ে নগরীর হরিণটানা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলাটির তদন্তের অংশ হিসেবে হাসনাত হাবিব রিফাতকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়ার আশা করছে পুলিশ।



