জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার বক্তব্য দিয়েছেন তারেক রহমান। সফর শেষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশে ফেরার পথে রয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জাতিসংঘ সফরে কী অর্জন হলো, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ২৪-পরবর্তী বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন। সাধারণ পরিষদের অধিবেশন, সাইডলাইন বৈঠক ও উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যু, অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার ও জলবায়ু ন্যায়বিচারসহ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
হুমায়ুন কবিরের মতে, প্রধানমন্ত্রী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক—দুই ধরনের শ্রোতাকে লক্ষ্য করেই বক্তব্য দিয়েছেন। সরকার গঠনের পর এটি ছিল তারেক রহমানের প্রথম এ ধরনের আন্তর্জাতিক সফর। ফলে বিভিন্ন ইস্যু তুলে ধরার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা ছিল সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
আরেক সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ পরিষদের ভাষণে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো এসেছে। পাশাপাশি দেশের পরিবর্তনগুলো তুলে ধরে বাংলাদেশ কী ধরনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে, সেটিও তিনি জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, সফরে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কয়েক মাস বয়সী সরকারের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ ধরনের যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরে সাধারণ পরিষদের ভাষণের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও অংশ নেওয়ার তথ্য জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।



