গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চকোলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে হাসপাতালের আনসার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় লিটন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে হাসপাতালের অষ্টম তলার সার্জারি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ওই ওয়ার্ডে শিশুটির নানা চিকিৎসাধীন ছিলেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দেবাদৃতা দাস নামের শিশুটিকে চকোলেট দেওয়ার কথা বলে অষ্টম তলার একটি বাথরুমে নিয়ে যান লিটন মিয়া। বিষয়টি জানতে পেরে শিশুটির মা জবারানী দাস হাসপাতালের তৃতীয় তলায় গিয়ে বিষয়টি জানান।
অভিযোগ পাওয়ার পর শিশুটির সন্ধানে অভিযান শুরু করেন হাসপাতালের আনসার সদস্যরা। পিসি মো. গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে এপিসি মো. উজ্জল হোসেন এবং আনসার সদস্য মো. সুজন মিয়া ও মো. শাকিল হকসহ একটি টহল দল হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায়।
প্রায় দুই ঘণ্টা পর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে অষ্টম তলার একটি টয়লেট থেকে লিটন মিয়ার কাছ থেকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আনসার সদস্যরা জানান, উদ্ধারের সময় শিশুটি কথা বলতে পারছিল না।
এ সময় লিটন মিয়ার কাছ থেকে কিছু পরিমাণ গাঁজা ও দুটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আটক লিটন মিয়া গাজীপুর সদর উপজেলার জয়দেবপুরের হোতাপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।



