নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলী নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন। স্থানীয় রনি ও তাঁর সহযোগীরা সাহেব আলীকে গুলি করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের ছেলে মো. সজিব। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।
নিহত সাহেব আলীর ছেলে মো. সজিব জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনী এলাকায় তাঁদের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। তাঁর বাবা দীর্ঘদিন ধরে বউবাজার এলাকায় বালুর ব্যবসা করতেন। সজিবের অভিযোগ, স্থানীয় রনিসহ কয়েকজন তাঁর বাবার নাম ব্যবহার করে এলাকায় চাঁদাবাজি করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে তাঁর বাবা তাঁদের বাধা দেন।
সজিব বলেন, ঘটনার দিন বিকেলে একটি ফোন পেয়ে তাঁর বাবা বাইরে যান। এর কিছুক্ষণ পর তিনি খবর পান, বউবাজার এলাকায় তাঁর বাবাকে গুলি করে খালের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
সজিবের অভিযোগ, রনিসহ আরও চার থেকে পাঁচজন তাঁর বাবার কপাল ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি গুলি করেন। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, সাহেব আলীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মজিবুর রহমান জানান, সাহেব আলী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এর আগে তিনি এসআরবির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
মজিবুর রহমান আরও বলেন, সাহেব আলীর সঙ্গে চলাফেরা করতেন—এমন ব্যক্তিরাই তাঁকে গুলি করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাটি আরও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।



