কুমিল্লার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা রিয়াজ উদ্দিন রাজুর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে কক্সবাজার সদর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
কক্সবাজার সদর থানার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, কক্সবাজার সদর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইরফানুল হক চৌধুরীর আদালতে একজন আইনজীবী বিষয়টি উপস্থাপন করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রাজু তাজমিনকে ফুসলিয়ে কক্সবাজারে নিয়ে ধর্ষণ করেছেন। তাজমিনের বয়সের বিষয়টিও আদালতকে জানানো হয়। পরে আদালত ধর্ষণ মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে একজন আইনজীবী বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
এ বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে রাজি হননি কক্সবাজার সদর থানার পুলিশ কর্মকর্তারা।
এর আগে, রাজুকে আটকের পরদিন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) মো. অহিদুর রহমান জানিয়েছিলেন, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রাজুর পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে গত ৬ অক্টোবর ভোরে তাজমিন কক্সবাজারে পৌঁছায়। ওই দিন তারা কলাতলীর একটি আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওঠে বলে পুলিশের ভাষ্য।
পরদিন দুপুরে তাজমিন একা বাসযোগে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয়। কুমিল্লায় পৌঁছানোর পর সে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়। পরে রোববার রাত ৯টার দিকে কক্সবাজার শহরের হোটেল-মোটেল জোনের কলাতলী এলাকা থেকে রাজুকে আটক করা হয়।
সোমবার বেলা ১২টার দিকে কুমিল্লা পুলিশের একটি দল কক্সবাজার সদর থানায় গিয়ে রাজুকে নিয়ে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে কক্সবাজার আদালতে সোপর্দ করা হয়।



