পটুয়াখালীর দুমকীতে বিএনপি নেতাকে মারধর করে আহত করার অভিযোগে সাবেক ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১ নভেম্বর) রাতে তাঁকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দুমকী থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ অক্টোবর সকালে শ্রীরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান জোমাদ্দার স্থানীয় তালতলী বাজারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় রাকিব ও ইমরানসহ ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা তাঁর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষদর্শী ও বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, খলিলুর রহমান জোমাদ্দার মুঠোফোনে কথা বলার সময় চার-পাঁচজন তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করেন। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় লোকজন আহত খলিলুর রহমান জোমাদ্দারকে উদ্ধার করে দুমকী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তিনি বর্তমানে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ৩১ অক্টোবরই ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও সাত-আটজনকে আসামি করে দুমকী থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। মামলার এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি মোহাম্মদ ইমরানকে ১ নভেম্বর রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ভুক্তভোগী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি নেতা খলিলুর রহমান জোমাদ্দারের সঙ্গে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার আগে থেকেই বিরোধ চলছিল।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি মো. রাকিব। তাঁর দাবি, ছাত্রদলের কয়েকজন বালুর ড্রেজারের লাইন বসাতে গেলে খলিলুর রহমান বাধা দেন এবং টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। তখন খলিলুর রহমান সড়কে পড়ে গিয়ে আহত হন। তাঁকে কেউ আঘাত করেননি এবং হামলার ঘটনাও ঘটেনি বলে দাবি করেন রাকিব।
দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন জানান, মামলার এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি মো. ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার বাকি আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।



