অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নে করলা চুরির অভিযোগে এক নারীকে গাছে বেঁধে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে বংশিপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ছালেহা বেগম (৪০) ও অভিযুক্ত স্বামী বদিয়া মিয়া একই ইউনিয়নের ছোটধনতোলা এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের দাবি, তাদের বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, সকালে বংশিপাড়া এলাকার ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা চুরি করার সময় ছালেহা বেগমকে এক বস্তা করলাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে বিষয়টি তার পরিবারকে জানানো হলে স্বামী বদিয়া মিয়া ঘটনাস্থলে এসে স্ত্রীকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর করেন।
ঘটনার ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এমন অমানবিক আচরণের নিন্দা জানিয়েছেন।
জমির মালিক ফরহাদ হোসেন বলেন, তার জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হতো। চোর ধরতে ওত পেতে থাকলে ছালেহা বেগমকে করলাসহ আটক করা হয়। পরে খবর পেয়ে তার স্বামী এসে শাসনের নামে মারধর করে নিয়ে যান।
দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল হোসেন ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চুরির অভিযোগে ওই নারীকে আটকের পর তার স্বামী এসে তাকে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে রৌমারী থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাওসার আলী বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা ছিল না। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চুরির অভিযোগ থাকলেও প্রকাশ্যে এভাবে একজন নারীকে গাছে বেঁধে মারধরের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।



