অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
আগামী দুই দিনের মধ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি বা “কিছু একটা ঘটতে পারে” বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দ্বিতীয় দফা আলোচনায় অগ্রগতির দিকেও ইঙ্গিত করেছেন। তবে ইসলামাবাদে আগামী দুই দিনের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে।
এক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে এখনো তাদের কাছে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই। অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ চার দিনের সফরে সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কে যাচ্ছেন।
আলজাজিরার সাংবাদিক কামাল হায়দারের বরাতে জানা গেছে, শেহবাজ শরিফ ১৮ এপ্রিলের আগে দেশে ফিরছেন না। এতে বোঝা যাচ্ছে, সম্ভাব্য আলোচনা হলেও তা আগামী দুই দিনের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হবে—এমনটা বলা যাচ্ছে না।
সাংবাদিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এটি মূলত একটি চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া, যেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সময় লাগে। তবে ইতিবাচক দিক হলো, ওয়াশিংটন ও তেহরান—উভয় পক্ষ থেকেই আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যদিকে আইআরএনএ ও বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান চললেও নতুন বৈঠক এখনো নিশ্চিত হয়নি। সংলাপ নিয়ে নতুন মন্তব্যের পরও ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।
৮ এপ্রিল শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যদি তেহরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তা কখনো সফল হবে না। ইরানি জনগণ কখনোই নতি স্বীকার করবে না।
তিনি আরও বলেন, ইরান যুদ্ধ বা অস্থিরতা চায় না, বরং সব সময়ই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা ও পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের পক্ষে রয়েছে।



