অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক
পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র আক্রমণ করেছে। আজ ২০২৬ সালের ৭ মে, বৃহস্পতিবার ‘মারকা-ই-হক’-এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এই কঠোর মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আহমেদ শরিফ চৌধুরী দাবি করেন, ভারতকে এখন আর কেউ বিশ্বাস করে না এবং বিশ্বমঞ্চে তাদের বক্তব্যের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। গত বছরের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যে সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, পাকিস্তান সেটিকে ‘মারকা-ই-হক’ বা ‘সত্যের যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে। জেনারেল শরিফ বলেন, এই যুদ্ধের মাধ্যমে প্রমাণ ছাড়াই পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের সাথে যুক্ত করার ভারতীয় অপকৌশল চিরতরে ‘সমাধিস্থ’ হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ ভারত দিতে পারেনি। উল্টো ভারতই এ অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদে মদদ দিচ্ছে এবং আফগানিস্তানকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমানে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ‘রাজনীতিকরণ’ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ‘সামরিকীকরণ’ ঘটেছে, যা এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। কাশ্মীর ইস্যুতে তিনি বলেন, এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল এবং ভারত সেখানে জনসংখ্যার চিত্র বদলে দেওয়ার যে চেষ্টা করছে তা অবৈধ। সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। আইএসপিআর প্রধানের মতে, ‘মারকা-ই-হক’ পরবর্তী সময়ে বিশ্ব ভারতের ‘ভণ্ডামিপূর্ণ’ তথ্যযুদ্ধের আসল চেহারা চিনতে পেরেছে।



