পরীক্ষামূলক সংস্করণ

নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ ৮ জুন

অল ক্রাইমস.টিভি ডেস্ক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জুলাই আন্দোলনের সময় ৯ জনকে হত্যার মামলায় সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়েছে।

আজ রবিবার (১০ মে) ২০২৪ তারিখ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই ঐতিহাসিক আদেশ প্রদান করেন। বিচারিক প্যানেলের অপর সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। আদালত এই মামলায় প্রসিকিউশনের আনা তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গঠন করে আগামী ৮ জুন মামলার সূচনা বক্তব্য এবং সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। শুনানির সময় বিচারক মোহিতুল হক আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো পড়ে শোনান এবং কাঠগড়ায় থাকা চার আসামিকে তাদের দোষ স্বীকারের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, এদিন সকালে গ্রেপ্তারকৃত চার আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন— নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক এবং ফজলে রাব্বি। অন্যদিকে এই মামলায় পলাতক আসামিদের তালিকায় রয়েছেন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। উল্লেখযোগ্য পলাতক আসামিরা হলেন— সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার এবং ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার। এছাড়াও এডিসি রওশুনুল হক, তারেকুজ্জামান, এমএ সাত্তারসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের আরও অনেক নেতাকর্মীর নাম পলাতক তালিকায় রয়েছে।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ওপর আসামিদের সরাসরি উসকানি, প্ররোচনা এবং উপস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনগুলো নৃশংস হামলা চালায়। প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্যরা আদালতে জানান যে, এই হামলায় মাহমুদুর রহমান সৈকত এবং কিশোর ফারহান ফাইয়াজসহ মোট ৯ জন নিরীহ মানুষ নিহত হন এবং বহু মানুষ গুরুতর আহত হন। আসামিদের নির্দেশে এবং পরিকল্পিত উসকানিতে নিরীহ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর প্রাণঘাতী গুলি চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুনানির সময় ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। এই বিচার কার্যক্রমের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারগুলো ন্যায়বিচারের আশা ব্যক্ত করেছে। আগামী ৮ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া সাক্ষ্যগ্রহণ এই মামলার ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করবে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে এবং তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচারিক প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী এগিয়ে যাবে বলে প্রসিকিউশন সূত্রে জানানো হয়েছে।

প্রধান খবর

গুলিতে নিহত যুবদল কর্মী/ কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশাতেই হত্যার নীল নকশার অভিযোগ

গত শুক্রবার ২৪ জুলাই রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল এলাকায় গুলি করে যুবদলের কর্মী ইউসুফকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার পরবর্তী এক সংবাদ সন্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকা আধিপত্য ও

আসছে...