পরীক্ষামূলক সংস্করণ

মানবাধিকার কমিশন আইন-২০২৬ সংশোধনের আহ্বান ব্লাস্টের

খসড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬-এ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা, কার্যকারিতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একাধিক সংশোধনীর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, মানবাধিকার সুরক্ষা ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন আইন প্রণয়নের সরকারি উদ্যোগ ইতিবাচক। তবে কমিশনকে সত্যিকার অর্থে স্বাধীন, কার্যকর ও ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে খসড়া আইনের কয়েকটি ধারা পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন।

ব্লাস্টের মতে, খসড়া আইনে পাঁচজন পূর্ণকালীন কমিশনার নিয়োগ এবং বাছাই কমিটিতে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির মতো ইতিবাচক উদ্যোগ রয়েছে। তবে কমিশনে অন্তত দুইজন নারী এবং একজন সংখ্যালঘু বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি রাখার বিধান যুক্ত করা উচিত। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত করতে বাছাই কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

সংস্থাটি আরও বলেছে, কমিশনের নিজস্ব বিধি ও কার্যপ্রণালি প্রণয়নের ক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে এবং কার্যক্রম পরিচালনা বা কার্যালয় স্থাপনে নির্বাহী বিভাগের পূর্বানুমোদনের বিধান বাতিল করা প্রয়োজন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খসড়া আইনে আটক স্থান পরিদর্শনের জন্য জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা (এনপিএম) গঠনের বিধান ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে এটিকে কার্যকর করতে কমিশনারদের সরাসরি তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে প্রয়োজন হলে সময়সীমা বাড়ানো বা কমিশনের নিজস্ব তদন্তের সুযোগ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য করা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার ক্ষমতা কমিশনকে দেওয়ার বিধানকে স্বাগত জানিয়েছে ব্লাস্ট। সংস্থাটির মতে, এসব বিধান কার্যকর হলে কমিশন মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় কার্যকর প্রতিকার নিশ্চিত করতে আরও সক্ষম হবে।

ব্লাস্ট কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে দাখিল ও ওয়েবসাইটে প্রকাশের পাশাপাশি স্পিকারের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে সংসদে উপস্থাপনের বাধ্যতামূলক বিধান যুক্ত করারও আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ মে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অংশীজন সভায় খসড়া আইনটি উপস্থাপন করা হয়। পরে ২৪ মে ব্লাস্ট তাদের লিখিত সুপারিশ মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়। সর্বশেষ ২৫ জুলাই আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, খসড়া আইনটি মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

প্রধান খবর

মরিয়মের মৃত্যু: আনুষ্ঠানিকতা শেষে সকালে এমপি গাজী নজরুল ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার দেখাবে পুলিশ

রাজধানীর ন্যাম ভবনে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্ররোচনার অভিযোগে মামলায় এমপি ও তাঁর প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে আছেন। ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। নিহতের বাবা বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় এই মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

ন্যাম ভবনে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে। আজ

আসছে...