বাংলাদেশকে একটি মানবিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে শিশুদের প্রকৃতি, পশুপাখি ও পরিবেশের প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু মানুষের প্রতি নয়, প্রকৃতির প্রতিও মানুষকে দয়া ও যত্নশীল হতে হবে। আশপাশের গাছপালা, পশুপাখি ও প্রকৃতির অন্যান্য উপাদানকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে সেগুলোর যত্ন নিতে হবে।
তিনি বলেন, শিশুরা যেখানে থাকে—বাড়ি, স্কুল বা আশপাশে—সেখানে গাছ থাকলে সেটির যত্ন নিতে হবে। গাছে পানি দেওয়া এবং বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করার পাশাপাশি আশপাশের পশুপাখির প্রতিও যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, শিশুদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতির প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার অনুভূতি ও সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সবাই মিলে এ বিষয়ে কাজ করলে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির প্রতি মানুষ সদয় হলে প্রকৃতিও মানুষের প্রতি সদয় হবে। প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে সচেতন করে তুলতে হবে।
পরিবেশ দূষণ ও যত্রতত্র ময়লা ফেলার বিষয়েও শিশুদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। কোনো বড় মানুষ পরিবেশ নষ্ট করে এমন কাজ করলে তাকে সঠিক স্থানে ময়লা ফেলার জন্য বলতে শিশুদের উৎসাহিত করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, পরিবারের প্রতিটি শিশু পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ পেলে পরিবার যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি দেশের ভবিষ্যৎও আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি বলেন, দেশের সব শিশুকে সঠিকভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে পারলে বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।



