দেশের রাজস্ব খাতের পরিধি বাড়াতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মুদিদোকান ও বিউটি পারলারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খুচরা ও সেবা খাতকে ভ্যাটের (মূল্য সংযোজন কর) আওতায় আনার বড় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।
বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই পরিকল্পনার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উপস্থাপিত হয়। অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন অর্থবছরে যেসকল নতুন ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো— তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকস বা প্রসাধনের দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটর, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার, স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, মিষ্টান্ন ভান্ডার এবং রেস্টুরেন্ট ব্যবসা। সংসদ অধিবেশনে বিগত সময়ের রাজস্ব আদায়ের চিত্র তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভ্যাট বাবদ সরকারের জন্য মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়েছে।



