বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের এক হাজার মুসলিমকে সম্পূর্ণ নিজের রাজকীয় খরচে ওমরাহ পালনের সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সৌদি আরবের বাদশা সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ। এই বিশেষ ওমরাহ সুবিধার আওতাভুক্ত থাকবেন নারীরাও। দেশটির ইসলামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ রাজকীয় আতিথেয়তায় এই বিশেষ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের প্রতিবেদন অনুসারে, সৌদি বাদশা সালমানের ঘোষিত ‘গেস্টস অব দ্য কাস্টডিয়ান অব দ্য টু হোলি মস্কস’ (গেস্ট অফ কিং) কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত এক হাজার মুসল্লি এই ওমরাহ পালনের সুযোগ লাভ করবেন। আগামী ১৪৪৮ হিজরি সনে মোট চার ধাপে এই ওমরাহ কর্মসূচিটি পরিচালিত হবে। এর মধ্যে প্রথম পর্বে এশিয়ার ১৬টি দেশ থেকে নির্বাচিত ২৫০ জন ওমরাহ পালনকারী সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এই ১৬টি দেশ হলো— ইন্দোনেশিয়া, পূর্ব তৈমুর, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, লাওস, সিঙ্গাপুর, চীন, জাপান, কোরিয়া, হংকং, তাইওয়ান ও মঙ্গোলিয়া।
এই মহতী উদ্যোগ উপলক্ষে সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী এবং এই কর্মসূচির সাধারণ তত্ত্বাবধায়ক শেখ আব্দুল লতিফ আল-শেখ বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের সেবায় অনন্য অবদানের জন্য বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা যেন অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে এবং মানসিক ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির সঙ্গে ওমরাহ পালন ও পবিত্র স্থানগুলো জিয়ারত করতে পারেন, সেজন্য সৌদি আরব নেতৃত্ব ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আল-শেখ আরও উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগ মূলত মুসলিম উম্মাহর পারস্পরিক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করারই এক অনন্য প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আলেম, ধর্মীয় নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সৌদি আরবের মানবিক ও ধর্মীয় প্রচেষ্টাকেও জোরালোভাবে তুলে ধরে।



