রাজধানীর মতিঝিলে একটি ছাতার ভেতর থেকে সন্দেহজনক আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) সদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সময়মতো এটি শনাক্ত না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
আইইডি বা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস হলো অবৈধভাবে তৈরি একটি বিস্ফোরক যন্ত্র, যা সাধারণত প্রচলিত সামরিক অস্ত্রের বাইরে বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। সন্ত্রাসী হামলা, নাশকতা ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডে এ ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহারের নজির রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
গত দুই দশকে ইরাক, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে আলোচিত বহু হামলার তদন্তে আইইডির ব্যবহার সামনে এসেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, আইইডির সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো এর ছদ্মবেশ ও অনিশ্চয়তা। সাধারণ একটি ব্যাগ, ছাতা, বাক্স বা পরিত্যক্ত কোনো বস্তুতে এটি লুকিয়ে রাখা হতে পারে, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে সহজে শনাক্ত করা কঠিন।
এ ধরনের বিস্ফোরক থেকে প্রাণহানির পাশাপাশি ভবন, যানবাহন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া একটি আইইডি-সংক্রান্ত ঘটনা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা সন্দেহজনক কোনো বস্তু দেখলে সেটি স্পর্শ না করে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে এবং নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।



