ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি সৌদি আরবের জিজান ও ইয়ানবুতে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) মিডল ইস্ট আই ও টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদি আরব তাৎক্ষণিকভাবে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে জিজানের আরামকো তেল শোধনাগার এলাকা থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
হুতিদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হোদেইদা বন্দর ও কামারান দ্বীপে বিমান হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, জিজানে আরামকোর স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইয়ানবুতেও ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
হুতি আরও জানিয়েছে, ইয়েমেনের ওপর সৌদি আরবের অবরোধ এবং সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার প্রতিবাদে বাব এল-মানদেব প্রণালিতে সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজ চলাচলের ওপর তাদের অবরোধ বহাল থাকবে।
এদিকে ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে, মারিব ও আল-জাওফ প্রদেশে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ–সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞসহ হুতি গোষ্ঠীর কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।



