রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় পূর্বাপর তথ্য উদঘাটন ও দায়ীদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দফায় দফায় মারধরের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই কমিটি গঠন করে। কমিটিকে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মো. গোলাম ছাদিক, ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. আসাদুল হক, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মো. আরিফুল ইসলাম এবং ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এ নাঈম ফারুকী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, এক শিক্ষার্থীর করা অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রক্টর দপ্তরে বৈঠকের পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে পাল্টাপাল্টি হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রক্টরিয়াল বডি, শিক্ষক, পুলিশ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসেন।
ঘটনার পর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন প্রতিবাদ জানায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর মারধরের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।



