পরীক্ষামূলক সংস্করণ

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বোমা হামলার হুমকি

ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ভারত ও অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দ্বিতীয় যুব টেস্ট চলাকালে ই-মেইলের মাধ্যমে এই হুমকি পাওয়ার পর নিরাপত্তা তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। পরে স্থানীয় পুলিশ জানায়, হুমকিটি ভুয়া ছিল।

হুমকি পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্তে নামে পুলিশের সাইবার সেল। স্টেডিয়ামে থাকা দুই দলের খেলোয়াড়দের শুরুতে বিষয়টি জানানো হয়নি। পরে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে দুপুর ১টার দিকে দুই দলকে নিরাপদে স্টেডিয়াম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (জিসিএ) সচিব অনিল প্যাটেল জানান, হুমকির ই-মেইল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। তার দাবি, এর আগেও ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও আইপিএলের সময় একই ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

শুধু নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম নয়, বুধবার সকালে আহমেদাবাদের গুজরাট হাইকোর্টসহ শহরের কয়েকটি স্কুল ও কলেজেও একই ধরনের হুমকির ই-মেইল পাঠানো হয়। এসব স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি বোমা শনাক্তকারী দল মোতায়েন করা হয়।

হুমকির ই-মেইলে পাঞ্জাবি গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জের নামও উল্লেখ করা হয়। আগামী ২১ নভেম্বর নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে তার কনসার্টে মানুষকে না যাওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়। ই-মেইলে খালিস্তানপন্থী বার্তার পাশাপাশি ১ নভেম্বর জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে দোসাঞ্জের অনুষ্ঠানের কথাও উল্লেখ করা হয়।

নিরাপত্তা শঙ্কার ঘটনাটি ঘটে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় যুব টেস্টে ১০ উইকেটে জয়ের পর। ম্যাচে অভিষেকেই দুর্দান্ত বোলিং করে ভারতের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তানময় বালোডা। তিনি দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৪ উইকেট নেন।

দুই দল স্টেডিয়ামে থাকা অবস্থায় হুমকির ই-মেইল পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত কোনো জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার পর দুই দলের খেলোয়াড়রা নিরাপদে স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন।

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এ ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা অবশ্য নতুন নয়। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগেও স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ একাধিক হুমকি পেয়েছিল। পরে এ ঘটনায় রাজকোট থেকে ২৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এর আগে ২০২৫ সালের ১৪ মে গুজরাট টাইটানস ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের আইপিএল ম্যাচের আগেও স্টেডিয়াম উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ই-মেইল পাঠানো হয়েছিল। এরপর পুলিশ, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ও ডগ স্কোয়াড স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশ এবং আশপাশের এলাকা তল্লাশি চালায়। তবে সেবারও কোনো সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি।

প্রধান খবর

আসছে...