অল ক্রাইমস. টিভি ডেস্ক
শরীরের অতিরিক্ত মেদ অনেক সময় বিশেষ করে পেটের অংশেই বেশি জমে থাকে। কারও শরীরের গঠন সুন্দর হলেও পেটের মেদ থেকে যায়, আবার কারও ওজন কমলেও ভুঁড়ি কমতে চায় না। তাই ওজন কমাতে সঠিক ডায়েট ও জীবনযাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এ বিষয়ে বলিউড অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া-এর প্রশিক্ষক সিদ্ধার্থ সিং জানিয়েছেন, শত চেষ্টা করেও অনেক সময় তলপেটের মেদ কমে না। এর পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ থাকতে পারে।
তিনি বলেন, আমাদের প্রতিদিনের খাবার অনেক সময় নীরবে ওজন বাড়ানোর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেক খাবারকে স্বাস্থ্যকর মনে করা হলেও বাস্তবে তার ভেতরে থাকে অতিরিক্ত ক্যালরি ও অস্বাস্থ্যকর উপাদান, যা ওজন বাড়াতে ভূমিকা রাখে। তাই খাওয়ার ক্ষেত্রে সচেতনতা ও পরিমিতি বজায় রাখা জরুরি।
নির্দিষ্ট অংশের মেদ কমাতে শুধু ব্যায়াম নয়, সঠিক শরীরচর্চা ও বিপাকক্রিয়া ঠিক রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু ব্যায়াম করলেও যদি পেটের মেদ না কমে, তাহলে সমস্যা কোথায়—ডায়েট নাকি শরীরচর্চা, সেটিও বুঝে নিতে হয়।

প্রশিক্ষক সিদ্ধার্থ সিং আরও বলেন, অনেকেই প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের উৎস হিসেবে বাদামের মাখন খান। এটি টোস্ট বা স্মুদিতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এটি ক্যালরিতে অনেক বেশি সমৃদ্ধ। তাই বেশি পরিমাণে খেলে ওজন কমানোর লক্ষ্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
এছাড়া বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত দানাশস্য বা গ্রানোলা অনেক সময় স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হলেও তা সবসময় সঠিক নয়। বাজারজাত গ্রানোলায় অতিরিক্ত চিনি ও শুকনো ফল মেশানো থাকে, যা শরীরে ক্যালরির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরাও এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তারা জানান, গ্রানোলায় ক্যালরির পরিমাণ বেশি থাকে এবং এতে থাকা চিনি ও উপাদান শরীরের ওজন বাড়াতে পারে।
এছাড়া বিয়ার বা অ্যালকোহলজাতীয় পানীয়ও ওজন কমানোর পথে বড় বাধা হতে পারে। এতে প্রচুর ক্যালরি থাকে এবং নিয়মিত গ্রহণে বিপাকক্রিয়ার গতি কমে যেতে পারে, যা চর্বি কমানোর প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমাতে হলে শুধুমাত্র ব্যায়াম নয়, বরং খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক জীবনযাপন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।



