কক্সবাজারের পেকুয়ায় গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দলের সদস্যরা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (২৬ জুলাই) রাতে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের আবদুল হামিদ সিকদারপাড়া এলাকায় সৌদি প্রবাসী জমির আলম ও তার ছোট ভাই মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) রেজাউল করিমের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী রেজাউল করিম জানান, রাতে বাড়ির সামনে রাখা মোটরসাইকেল দেখতে বের হলে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে পাশের একটি ফার্নিচারের দোকানে নিয়ে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর ৭ থেকে ৮ জনের একটি মুখোশধারী ডাকাত দল তার বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের একটি কক্ষে আটকে রাখে। এ সময় ডাকাতরা ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং লুটপাট করে।
রেজাউল করিমের ভাষ্য, ডাকাতরা তার কক্ষ থেকে নগদ সাড়ে ৬ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নেয়। পরে তার বড় ভাই জমির আলমের কক্ষ থেকে আরও আড়াই লাখ টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।
রেজাউল করিমের স্ত্রী তাসফিয়া সোলতানা কাজল জানান, ডাকাতরা প্রায় ৪০ মিনিট ধরে বাড়িতে অবস্থান করে লুটপাট চালায়। যাওয়ার সময় তারা বাড়ির সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্কও নিয়ে যায়।
জমির আলমের স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন, ডাকাতরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গলার চেইন, কানের দুলসহ আলমারি ও ড্রয়ারে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় এর আগেও অস্ত্রধারীদের ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। তারা জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ডাকাতির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ চলছে।



