পরীক্ষামূলক সংস্করণ

যক্ষ্মার নতুন কর্তাও পুরোনো কর্তার পথে

বিনা প্রতিযোগিতায় আবারও কিউর এআইকে ক্রয়প্রস্তাব

শিতাংশু ভৌমিক অংকুর

যক্ষ্মা শনাক্তকরণে ব্যবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সফটওয়্যারের লাইসেন্স ও ওয়ারেন্টি নবায়নের জন্য কিউর ডট এআইকে সরাসরি কাজ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্লোবাল ফান্ডের সপ্তম অনুদান চক্রের (জিসি-৭) অব্যবহৃত অর্থের একটি অংশ থেকে এ ব্যয় মেটানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিতে ল্যাবরেটরি পুনর্বিন্যাসের বিভিন্ন খাতে প্রায় ১ দশমিক ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রয়োজন দেখানো হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানকে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়া কাজ দেওয়ার আইনগত বা ক্রয়বিধিগত কারণ নথিতে স্পষ্ট করা হয়নি।

কিউর ডট এআইকে ঘিরে এর আগে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের ব্যয় বহন এবং আর্থিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এসব অভিযোগের পর তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। কিন্তু তদন্তে কী পাওয়া গেছে, কার বিরুদ্ধে কী সুপারিশ করা হয়েছে এবং পরে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এর মধ্যেই একই প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার ও সেবা কেনার নতুন প্রস্তাব সামনে এসেছে। ফলে আগের অভিযোগ, তদন্ত এবং নতুন ক্রয়প্রক্রিয়ার মধ্যে স্বচ্ছতা ও স্বার্থের সংঘাতের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় কিউর ডট এআইয়ের সফটওয়্যার ব্যবহার করে বুকের এক্স-রে বিশ্লেষণের মাধ্যমে যক্ষ্মা শনাক্তকরণে সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এই সফটওয়্যারের লাইসেন্স ও ওয়ারেন্টি নবায়নের জন্য গ্লোবাল ফান্ডের কাছে অর্থ পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব পাঠানো হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাইকোব্যাকটেরিয়াল ডিজিজ কন্ট্রোল শাখার পরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ গ্লোবাল ফান্ডের কাছে পাঠানো এক ই-মেইলে লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন।

নথি অনুযায়ী, ১০টি ফুজি এক্সএয়ার ইউনিটের জন্য কিউর ডট এআইয়ের এক্স-রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যারের ওয়ারেন্টি বা লাইসেন্সের মেয়াদ ২২ আগস্ট ২০২৬ এবং ৩৯টি মিনএক্সরে ইউনিটের মেয়াদ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শেষ হওয়ার কথা। নির্ধারিত সময়ের আগে নবায়ন বা নতুন করে কেনা না হলে যক্ষ্মা শনাক্তকরণে ব্যবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বুকের এক্স-রে স্ক্রিনিং সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

এ কারণে দ্রুত অনুমোদন ও ক্রয়প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য গ্লোবাল ফান্ডের পর্যালোচনা চাওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট নথিতে ল্যাবরেটরি পুনর্বিন্যাসের বিভিন্ন খাতে মোট প্রায় ১ দশমিক ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রয়োজন দেখানো হয়েছে। এ অর্থ নেওয়ার কথা গ্লোবাল ফান্ডের অব্যবহৃত স্বাস্থ্যপণ্য বাজেট থেকে।

অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট অভিযোগে বলা হয়েছে, জিসি-৭-এর প্রায় ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অব্যবহৃত রয়েছে। এই অর্থের একটি অংশ থেকে কিউর ডট এআইয়ের সফটওয়্যার ও সেবা কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত মোট ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে দ্রুত ক্রয়ের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হতে পারে। কিন্তু দ্রুত ক্রয়ের প্রয়োজন থাকা এবং একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়া কাজ দেওয়ার যৌক্তিকতা—দুটি বিষয় এক নয়।

সংশ্লিষ্ট নথিতে কিউর ডট এআইকে সরাসরি কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র না করার আইনগত বা ক্রয়বিধিগত কারণ আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।

এ কারণে কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিকল্প সরবরাহকারী ছিল কি না, থাকলে তাঁদের কাছ থেকে মূল্য প্রস্তাব নেওয়া হয়েছিল কি না, কিউর ডট এআইয়ের প্রযুক্তির সঙ্গে অন্য প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তির তুলনামূলক মূল্যায়ন হয়েছে কি না এবং সরাসরি ক্রয়ের অনুমোদন কোন কর্তৃপক্ষ দিয়েছে—এসবের উত্তর প্রয়োজন।

অভিযোগকারীদের দাবি, কিউর ডট এআইয়ের তুলনায় ইউরোপের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পণ্যের মূল্য কম। নতুন প্রস্তাবের সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের মূল্যতালিকাও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেছেন।

যদি বিকল্প প্রতিষ্ঠান ও মূল্যতালিকা সত্যিই বিবেচনায় থাকে, তাহলে প্রতিযোগিতামূলক ক্রয় না করে কিউর ডট এআইকে সরাসরি কাজ দেওয়ার কারণটি নথিতে স্পষ্ট হওয়া জরুরি ছিল ।

কিউর ডট এআইকে ঘিরে আগের অভিযোগের সূত্রপাত ২০২৫ সালের একটি ক্রয়প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ রয়েছে, ওই বছরের ১৫ নভেম্বর কিউর-সংশ্লিষ্ট একটি ক্রয়প্রক্রিয়ায় ১০ শতাংশ আর্থিক সুবিধা দেওয়ার বিষয় সামনে আসে। একই সময় স্বাস্থ্য বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তার ইউরোপ সফরের ব্যয় কিউর ডট এআই বহন করেছে বলেও অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগের নথিতে পাঁচজনের নাম এবং তাঁদের সফরের জন্য প্রায় ২২ হাজার মার্কিন ডলার ব্যয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে প্রশ্ন ওঠে, সফর ব্যয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্রয়প্রক্রিয়ার কোনো যোগসূত্র ছিল কি না। সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটির সদস্য ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপ্রধান (এমআইএস) ডা. মোহাম্মদ ফারুক হোসেনকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কিছু সমস্যা আমরা পাইছি আর কিছু…।’ তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের রিপোর্টগুলো আমরা সুন্দরভাবে দিয়ে দিছি।’

কমিটির সদস্যসচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাখালী কার্যালয়ের উপপরিচালক ডা. সৈয়দ আবু আহমদ শফিও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা জানান। তবে তদন্তে কী পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে তিনি রাজি হননি। তাঁর ভাষ্য, তদন্তে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বাইরে এ বিষয়ে কথা বলতে পারেন না।

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে কিছুটা সময় বেশি লেগেছিল জানিয়ে শফি বলেন, সময় চেয়ে নিয়ে প্রতিবেদন সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে। পরে মন্ত্রণালয় কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তা তিনি জানেন না।

কমিটির চেয়ারম্যান ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলামও বলেন, ‘আমরা যথাসময় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।’

তবে তদন্তে কী কী অনিয়ম বা সমস্যা পাওয়া গেছে, কার বিরুদ্ধে কী সুপারিশ করা হয়েছে এবং সেই সুপারিশের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছে—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারী পক্ষের নথিতে দাবি করা হয়েছে, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সংশ্লিষ্টতা নিয়েও বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

তবে তদন্ত প্রতিবেদনের পূর্ণাঙ্গ নথি এবং এর ভিত্তিতে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য প্রকাশ্যে স্পষ্ট না। ফলে তদন্তে কী ধরনের অনিয়ম চিহ্নিত হয়েছিল এবং তা নতুন ক্রয়প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাব ফেলেছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

অভিযোগের নথিতে আরও বলা হয়েছে, গ্লোবাল ফান্ডের জন্য স্পনসরশিপের নাম ও বাজেটের খসড়া তৈরিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কয়েকজন কর্মকর্তা তথ্য ও উৎসাহ দিয়েছিলেন। পরে খসড়াটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে ই-মেইলে পাঠানো হয় এবং সেটি চূড়ান্ত ও স্বাক্ষর করা হয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি ক্রয়বিধি অনুযায়ী স্বার্থের সংঘাত রয়েছে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এ ধরনের স্পনসরশিপ চাওয়ার সুযোগ নেই। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং তদন্ত প্রতিবেদনের পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ যাচাই করা প্রয়োজন।

নতুন করে কিউর ডট এআইকে সরাসরি কাজ দেওয়ার প্রস্তাব সামনে আসায় আগের অভিযোগ ও নতুন ক্রয়প্রক্রিয়াকে পাশাপাশি রেখে দেখার দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্টদের তরফ থেকে ।

বিশেষ করে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির কয়েকজন কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের দাবি, নতুন প্রস্তাব তৈরির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায় এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় তাঁদের ভূমিকা নথিপত্রের মাধ্যমে যাচাই করা দরকার।

তবে নতুন প্রস্তাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে কমিশন বা আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন—এমন স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ব্যক্তিগত অনিয়মের অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন পূর্ণাঙ্গ ক্রয় নথি, বাজারদর যাচাই, বিকল্প প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব, কারিগরি মূল্যায়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধাপ এবং সরাসরি ক্রয়ের অনুমোদনের নথি পর্যালোচনা করা।

লিড লোকাল ফান্ড এজেন্টের পর্যবেক্ষণে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য বা প্রমাণ ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, গত ডিসেম্বরে গ্লোবাল ফান্ডের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরের সময় বিষয়টি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট ডেভেলপমেন্ট সাপোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জানানো হয়েছিল।

নতুন প্রস্তাবের ক্ষেত্রে গ্লোবাল ফান্ডের অনুমোদন, অর্থ পুনর্বিন্যাসের শর্ত এবং ক্রয়প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা ছিল কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অর্থের উৎস গ্লোবাল ফান্ড হলেও ক্রয়প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সংশ্লিষ্ট বিধি অনুসরণের প্রশ্নটি আলাদা।

নতুন করে কিউর ডট এআইকে সরাসরি কাজ দেওয়ার প্রস্তাবের বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ডা. এ এন এম বজলুর রশীদের সঙ্গে একাধিকবার ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সারদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ও প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের সঙ্গেও মেসেজে ও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। তাঁরাও কোনো বক্তব্য দেননি।

কিউর-সংশ্লিষ্ট আগের অভিযোগে আলোচিত ডা. জুবাইদা নাসরিনের কাছেও লিখিত প্রশ্ন পাঠানো হয়। তবে তাঁর কাছ থেকেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

সরাসরি দরপত্র ছাড়া কিউর ডট এআইকে সরকারি ক্রয়াদেশ দেওয়ার সুযোগ আছে কি না এবং আগের বিদেশ সফরের ব্যয় বহনের অভিযোগের পরও একই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নতুন করে সরাসরি ক্রয়ের প্রস্তাব কেন এসেছে—এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. জাহিদ রায়হান খোকনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। আজকে একটু জেনে নিই। অবশ্যই তারপর আপনার সাথে কথা বলবো।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনির সঙ্গে হোয়াটস অ্যাপে যোগাযোগ ও মেসেজে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

কিউর ডট এআইকেও প্রায় ১ দশমিক ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাজ সরাসরি দেওয়ার প্রস্তাব এবং দরপত্র না ডাকার অভিযোগ সম্পর্কে ই-মেইলের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

যক্ষ্মা শনাক্তকরণে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের লাইসেন্স নবায়নের প্রয়োজনীয়তা থাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার যুক্তি থাকতেই পারে। কিন্তু সেই প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সরাসরি ক্রয়ের যৌক্তিকতা কীভাবে যুক্ত হলো, সেটিই প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের ।

বিকল্প সরবরাহকারীদের সক্ষমতা ও মূল্য কীভাবে যাচাই করা হয়েছে, কিউর ডট এআইয়ের মূল্য বাজারদরের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে কি না, আগের অভিযোগের তদন্তের ফল নতুন ক্রয়প্রক্রিয়ায় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে কি না এবং সরাসরি ক্রয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুসরণ করা হয়েছে কি না—এসবের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।

প্রধান খবর

যক্ষ্মার নতুন কর্তাও পুরোনো কর্তার পথে

যক্ষ্মা শনাক্তকরণ সফটওয়্যারের লাইসেন্স নবায়নে কিউর ডট এআইকে সরাসরি কাজ দেওয়ার উদ্যোগ ঘিরে দরপত্র, আগের অভিযোগের তদন্ত ও ক্রয়প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মামার বাড়িতে আত্মগোপনে থাকা ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মিছিল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রস্তুতির অভিযোগে আত্মগোপনে থাকা ছাত্রলীগ নেতা মোবারক হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের লাশ জঙ্গল থেকে উদ্ধার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মরদেহ লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

আসছে...